• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি

নারায়ণগঞ্জে নিহত শাওন আ. লীগ নেতার ভাতিজা

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। নারায়ণগঞ্জে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত শাওন প্রধান (২০) কোনো দলের পদ পদবিতে ছিল না বলে দাবি করেছেন তাঁর চাচা ফতুল্লা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলী।

শাওনের চাচা শওকত আলী বলেন, ‘শাওন আমার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে। সে কোনো দলের পদ পদবিতে ছিল না। রাজনীতিতেও তেমন সক্রিয় ছিল না। এখন যদি ভেতরে-ভেতরে কোনো দলকে সমর্থন করে সেটাতো আমি বলতে পারব না। কীভাবে বা কার সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ শহরে গেল আমি সেই খোঁজ নিচ্ছি। আমার জানা মতে, তার বিএনপি করার কথা না। আমি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি।’

জানা গেছে, শাওন নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলার এনায়েতনগর ইউনিয়নের নবীনগর গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে। বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, শাওন যুবদলের কর্মী ছিলেন।

উল্লেখ্য, আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ শুরু হয়। বিএনপির ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শোভাযাত্রা বের করতে গেলে বাধা দেয় পুলিশ। শহরের ২ নম্বর রেলগেট এলাকায় সংঘর্ষ শুরু হয়। বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, বিনা উসকানিতে নেতাকর্মীদের লাঠিপেটা শুরু করে পুলিশ। এর পরপরই সংঘর্ষ শুরু হয়। বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। জবাবে পুলিশও রাবার বুলেট, টিয়ার শেল ও গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মী, পুলিশ, সাংবাদিকসহ অন্তত অর্ধশত আহত হয়েছেন। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান শাওন প্রধান। সংঘর্ষের আগে তাঁকে বিএনপির মিছিলের সামনের সারিতে দেখা গেছে।

সংঘর্ষের বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বিএনপি বিনা অনুমতিতে কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করছিল। আমরা বাধা দিলে তারা আমাদের ওপর আক্রমণ করে। আমাদের ১৫ জন সদস্য আহত হয়েছে।’

যুবদল কর্মী নিহতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই বিষয়ে আমাদের জানা নেই।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ